সংক্ষিপ্ত টীকা- বাংলা ভাষা পরিচয় গ্রন্থ | Bengali Language Introduction Book

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি Bengali Language Introduction Book. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে বাংলা ভাষা পরিচয় গ্রন্থ | Bengali Language Introduction Book

Ajjkal

বাংলা ভাষা পরিচয় গ্রন্থ | Bengali Language Introduction Book

■ বাংলা ভাষা পরিচয়:-

উত্তর:: রবীন্দ্রনাথ রচিত শিক্ষামূলক গ্রন্থ। ১৯৩৮ সালে এটি প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষার স্বরূপ বৈশিষ্ট্য ও গতি প্রকৃতি সম্পর্কে সুন্দর আলোচনা করেছেন। নীরস বিষয়কেও সাহিত্য বিচারবুদ্ধির দ্বারা রমনীয় করে তুলেছেন। এই গ্রন্থের প্রধান বৈশিষ্ট্য, তিনি বাংলা ব্যাকরণকেও নানা উদাহরণের সাহায্যে জীবন্ত করে তুলেছেন। ব্যাকরণ বলতে মনের মধ্যে যে ভয়ের ভাব তাকে, তা তিনি সযত্নে দূর করে দিতে চেয়েছেন। যেমন— “ভাষা নিয়ে মানুষের প্রতীকের কারবার। বাঘের খবর আলোচনা করবার উপলক্ষে স্বয়ং বাঘকে হাজির করা সহজও নয়, নিরাপদও নয়। বাঘে মানুষকে খায়, এই খবরটা প্রত্যক্ষ করানোর চেষ্টা নানা কারণেই অসংগত। ‘বাঘ’ বলে একটা শব্দকে মানুষ বানিয়েছে। বাঘ জন্তুর প্রতীক। বাঘের চরিত্র জানবার বিষয় থাকতে পারে বিস্তর, সে সমস্তই ব্যবহার করা এবং জমা করা যায় ভাষার প্রতীক দিয়ে”।

■ সাধের আসন কাব্য:-

উত্তর:: বিহারীলাল চক্রবর্তী রচিত কাব্য (১৮৮৮)। বিহারীলাল এই কাব্যটি রচনা করেন জ্যোতিরিন্দ্র নাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর স্মৃতিতে। কাদম্বরী দেবী কবিকে একটি সুন্দর কার্পেটের আসন বুনে দিলে কবি তাঁর স্মৃতিতে এই কাব্য লিখেছিলেন। এই কাব্য ‘সারদা মঙ্গল’ কাব্যের পরিপূরক। এখানে কবি বিশ্বমোহিনী মায়াদেবীকে হৃদয়ের মধ্যে বিচিত্ররূপে অনুভবের বর্ণনা দিয়েছেন— “তোমার এ রূপরাশি / আবেগে বেড়ায় ভাসি / আপনি লাবণ্যে তুমি বিকশিত আপনি।”

■ চার ইয়ারী কথা গল্প সংকলন:-

উত্তর:: ‘চার ইয়ারী কথা’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি বিচিত্র গল্প সংকলন। এর মধ্যে চারটি বন্ধুর বিচিত্র আত্মকথন মজলিশী ঢংয়ে বর্ণিত হয়েছে। প্রতিটি গল্পেই রয়েছে বুদ্ধির উজ্জ্বলতা, বাগবৈদগ্ধ্য ও সূক্ষ্ম রসিকতা। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি মজলিসী রস সাহিত্যের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এর মধ্যে যে ভাষাভঙ্গী ব্যবহৃত, তার মধ্যে রয়েছে বৈঠকী ভঙ্গী। যেমন— “আমি শত চেষ্টা করেও রিণীর মনকে আমার করায়ত্ত করতে পারিনি, তার জন্য আমি লজ্জিত নই কেননা আকাশ বাতাসকে কেউ আর মুঠোর ভিতর চেপে ধরতে পারে না। তার মনের স্বভাবটা অনেকটা এই আকাশের মতই ছিল, দিনে দিনে তার চেহারা বদলাত। আজ ঝড় জল বজ্র বিদ্যুৎ, কাল আবার চাঁদের আলো, বসন্তের হাওয়া একদিন গোধূলি; আর একদিন কড়া রোদ্দুর।”

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।