মহাদেশ ও মহাসাগর গুলির বিবরণ | Description of Continents and Oceans

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি Description of Continents and Oceans. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে মহাদেশ ও মহাসাগর গুলির বিবরণ | Description of Continents and Oceans

Ajjkal

মহাদেশ ও মহাসাগর গুলির বিবরণ | Description of Continents and Oceans

একএকটি অতিবিশাল স্থলভাগ (ভূখণ্ড) -কে মহাদেশ এবং অতিবিশাল জলভাগকে মহাসাগর বলে।

■ মহাদেশ সাতটি — এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও কুমেরু মহাদেশ। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া পূর্ব গোলার্ধে এবং উত্তর আমেরিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা পশ্চিম গোলার্ধে অবস্থিত।

● এশিয়া — পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ। আমাদের দেশ ভারত এই মহাদেশেই অবস্থিত। এই মহাদেশেই সব থেকে বেশি লোক বাস করে।

● ইউরোপ (য়ুরোপ) —পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ, এশিয়ার পশ্চিমদিকে যুক্তভাবে অবস্থিত। বিশ্বের উন্নত দেশ ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি প্রভৃতি এই মহাদেশেই অবস্থিত।

● আফ্রিকা — পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ, এশিয়ার সঙ্গে সুয়েজ যোজক দ্বারা যুক্ত। এই মহাদেশে যেমন বিশাল ও গভীর কঙ্গো অরণ্য আছে, তেমনই পৃথিবীর বৃহত্তম মরুভূমি ‘সাহারা’ রয়েছে।

● উত্তর আমেরিকা — আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো এই মহাদেশে অবস্থিত।

● দক্ষিণ আমেরিকা — মহাদেশটি পানামা যোজকের দ্বারা উত্তর আমেরিকার সঙ্গে যুক্ত। ব্রাজিল, আরজেনতিনা, পেরু, চিলি প্রভৃতি এর প্রধান দেশ।

● অস্ট্রেলিয়া — এত ছোটো যে একে অনেকে মহাদেশ না বলে ‘বৃহত্তম দ্বীপ’ বলে থাকেন। সম্পূর্ণরূপে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত বলে এর এরূপ নামকরণ হয়েছে।

● কুমেরু মহাদেশ (অ্যান্টার্কটিকা) — এটি সর্বদা বরফে ঢাকা থাকে বলে একে White continent (শ্বেত মহাদেশ) -ও বলে। এখানে সবসময় তুষারঝড় ও তুষারপাত হয়, কোনো লোক স্থায়ীভাবে বাস করতে পারে না। এটি পৃথিবীর দক্ষিণতম মহাদেশ।

■ মহাসাগর — আমাদের পৃথিবীতে মহাসাগর পাঁচটি, প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর, ভারত মহাসাগর , উত্তর ( সুমেরু ) মহাসাগর ও দক্ষিণ (কুমেরু) মহাসাগর।

● প্রশান্ত মহাসাগর — পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর। এই মহাসাগরে অবস্থিত মারিয়ানা খাত পৃথিবীর গভীরতম অংশ।

● আটলান্টিক মহাসাগর — প্রশান্ত মহাসাগরের প্রায় অর্ধেক। এর আকৃতি অনেকটা ইংরাজি ‘s’ অক্ষরের মতো।

● ভারত মহাসাগর – মহাসাগরটি উত্তর দিকে এশিয়া মহাদেশের দ্বারা আবদ্ধ।

● সুমেরু মহাসাগর — পৃথিবীর সব থেকে অগভীর মহাসাগর। একে উত্তর মহাসাগরও বলে। অত্যধিক শীতের জন্য বছরের বেশির ভাগ সময় বরফ জমে থাকে।

● কুমেরু মহাসাগর — কুমেরু মহাদেশের চারদিকের নিকটবর্তী সমুদ্রকে কুমেরু মহাসাগর বলে । আসলে এটি প্রশান্ত আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরগুলিরই দক্ষিণাংশ।

■ ‘জলগ্রহ’ (Watery Planet) কাকে বলে?

পৃথিবীপৃষ্ঠে যেমন স্থলভাগ আছে, তেমনই জলভাগ আছে। আমরা গ্লোব দেখে বুঝতে পারি, পৃথিবীপৃষ্ঠে স্থলভাগের পরিমাণ খুবই কম — শতকরা 30 ভাগের মতো; তুলনায় জলভাগের পরিমাণ অনেক বেশি — শতকরা 70 ভাগের মতো, স্থলভাগের 2:33 গুণেরও বেশি। এত বেশি জলভাগ থাকার জন্যই পৃথিবীকে ‘জলগ্রহ’ (Watery Planet) বলা হয়।

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।