Ecology in nature

Ecology in nature

Ecology in nature The basic functional and structural unit of ecology. Biotic and inorganic elements interact around us to form a stable system or ecosystem. A. G. Tansley (1935) was the first to use the term ecology. The word ecology is derived from the Greek word Oikos.

পরিবেশের বাস্তুতন্ত্র(Ecology in nature ):

বাস্তুতন্ত্র   বা  Ecosystem  বাস্তুবিদ্যার ( Ecology ) মৌল কার্যকরী ও গঠনগত একক ( Unit ) । আমাদের চারপাশের জৈব বা সজীব ( Biotic ) ও অজৈব বা অজীব ( Abiotic ) উপাদান মিথস্ক্রিয়া করে একটি সুস্থিত তন্ত্র বা বাস্তুতন্ত্র গঠন করে । A . G . Tansley ( 1935 ) সর্বপ্রথম বাস্তুতন্ত্র ( Ecology ) শব্দটি ব্যবহার করেন । Ecology শব্দটি গ্রিক শব্দ Oikos ( বাস্তু সম্পর্কিত ) থেকে উদ্ভূত ।
বস্তু উপাদান : বাস্তুতন্ত্রের প্রধান উপাদান দুভাগে বিভক্ত , যথা — সজীব ও অজীব উপাদান । সজীব উপাদান আবার দুভাগে বিভক্ত —
( 1 ) স্বভােজী ও উৎপাদক : ক্লোরােফিল কণাযুক্ত উদ্ভিদ যারা সূর্যালােকের সাহায্যে জল ও কার্বন – ডাই – অক্সাইডের সহযােগে গ্লুকোজ অণু সংশ্লেষ করে নিজেরাই খাদ্য উৎপাদন ও ভােজনে সমর্থ ।
( 2 ) খাদক : যারা নিজেদের খাদ্যের জন্য অপরের ওপর নির্ভরশীল । সকল প্রাণী ও কিছু ক্লোরােফিল বিহীন উদ্ভিদ প্রত্যক্ষ অথবা পরােক্ষভাবে খাদ্যের জন্য অন্যের ওপর নির্ভরশীল । প্রথম সারির খাদক তৃণভােজী , দ্বিতীয় সারির মাংসাশী , তৃতীয় বা সর্বোচ্চ সারির খাদক উচ্চ মাংসাশী ও বিয়ােজক ( decomposer ) হতে পারে । উৎপাদক , খাদক দুই সজীব উপাদান খাদ্যশৃঙ্খলের দ্বারা পরস্পর সংযুক্ত । অজীবীয় উপাদান : মূলত মৃত , জৈব ও অজৈব পদার্থ নিয়ে অজীবীয় উপাদান । বিভিন্ন রকম পুষ্টিকারক পদার্থ , অজৈব অণু , জল , ধাতব বা অধাতব পদার্থ মিলে এই উপাদান ।
প্রকৃতি অনুযায়ী ভৌত উপাদান , জৈব উপাদান ও ভৌম উপাদানে অজীবীয় উপাদান বিভক্ত ।

শক্তি উপাদান :

বাস্তুবিদ্যায় সকল শক্তির উৎস সূর্য । সূর্য । থেকে শক্তিপ্রবাহ একমুখী অর্থাৎ সূর্য থেকে নিঃসরিত শক্তি | পৃথিবীতে আপতিত হয়ে আর সূর্যে ফেরত যায় না । এই শক্তি তাপীয় গতিবিদ্যার নীতি অনুসরণ করে চলে । সূত্রানুসারে নীতিগুলি হল :
( ১ ) শক্তির নিত্যতা সূত্র ( Law of | Conservation of Energy ) :
শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না । | কিন্তু এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করা সম্ভব । ( ২ ) শক্তির রূপান্তর সম্পর্কিত অবক্ষয় সূত্র ( Law of Entropy ) :
এই সূত্র অনুযায়ী যে – কোনও শক্তির কোনওরূপ রূপান্তরই । সম্পূর্ণ নিচ্ছিদ্র নয় এবং রূপান্তরের প্রতিটি ধাপেই বেশকিছু পরিমাণ শক্তি অলভ্য তাপশক্তি হিসেবে তন্ত্র থেকে বেরিয়ে যায় ।
যেমন উৎপাদক থেকে খাদকস্তরে পৌঁছতে বেশকিছু পরিমাণ শক্তি উৎপাদকস্তর থেকেই অলভ্য হয় ।
গঠনগত বিভাগ –
বাস্তুতন্ত্রের গঠনগত বিন্যাসে উৎপাদক শ্রেণীর গুরুত্ব অপরিসীম । তাই বাস্তুতন্ত্রে সবুজ উদ্ভিদ এক বিশেষ ভূমিকা | পালন করে । এরা উপভােক্তাদের ( প্রাণী বা খাদক ) মতাে । স্থানান্তরী হয় না ও বাস্তুতন্ত্রে সবুজ উদ্ভিদের বিন্যাসকে ‘ বায়ােস বিন্যাস ‘ বলে ।
বিন্যাসটি নিম্নরূপ :
( ১ ) স্থলজ বাস্তুতন্ত্র : গ্রীষ্মমণ্ডলীয় পর্ণমােচী , আংশিক । চিরহরিৎ , চিরহরিৎ , শীতমণ্ডলীয় পর্ণমােচী , শীতমণ্ডলীয় তৃণভূমি , গ্রীষ্মমণ্ডলীয় তৃণভূমি , সাভানা , চাপারাল মরুভূমি , বােরিয়াল কনিফেরাস বনভূমি , তুন্দ্রা অঞ্চল ।
( ২ ) জলজ বাস্তুতন্ত্র : স্থলজভূমি বাদে জলাভূমি ও জলের বিভিন্ন উৎসে যে বাস্তুতন্ত্র পরিলক্ষিত হয় , তাদের অবার দুভাগে ভাগ করা যায় —
( ক ) স্বাদুজলের বাস্তুতন্ত্র : স্থির জলের পুকুর , হ্রদ ( Lentic System ) নদী , ঝরনা ( Lotic system ) ইত্যাদি ।
( খ ) । লবণাক্ত জলের বাস্তুতন্ত্র : মহাসাগর , মহাদেশীয় তটভূমি , সাগর , উপসাগরীয় অঞ্চল ।
( গ ) ঈষৎ লবণাক্ত জলের বাস্তুতন্ত্র : মােহনা । স্বাদু ও মিষ্টজলের মিশ্রণে উদ্ভূত জলাভূমি
ক্রিয়াশীলতা ও সম্পর্ক –
বাস্তুতন্ত্রের উপাদানগুলি পরস্পর সমন্বিত হয়ে ক্রিয়াশীল হয় । বস্তুতন্ত্রের প্রবাহ সর্বদাই ঘটে চলেছে । এর অতীত , বর্তমান ও ভবিষ্যৎ আছে । এর সজীব ও অজীব উপাদানগুলি সবসময়ই আন্তঃবিক্রিয়া বা মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রিয়াশীল রয়েছে । অজৈব ও জৈব পরিবেশের মধ্যে একই প্রজাতির সদস্যদের আন্তঃসম্পর্কের আলােচনাকে Antecology বাSpecies Ecology বলা হয় । আবার বিভিন্ন জীবগােষ্ঠী যেমন পপুলেশন , সম্প্রদায়ের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক , বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশের আলােচনা বা চর্চাকে Synecology বা যৌথ বাস্তববিদ্যা বলে । এই আলােচনার অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলি হচ্ছে । Biome Ecology , Population Ecology ও Community Ecology ।
শক্তির উৎস –
স্বাভাবিক পার্থিব বাস্তুতন্ত্রের সকল শক্তির উৎসই সূর্য । সূর্য থেকে শক্তিপ্রবাহের দিকটি একমুখী । অর্থাৎ সূর্য থেকে পৃথিবীতে লব্ধ শক্তি কোনওরূপেই আর সূর্যে ফিরে যায় না ।

Leave a Reply