150+ কারকের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা | Example of Karaka

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা, আজ আমরা নিয়ে এসেছি কারকের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা | Example of Karaka. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে 150+ কারকের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা | Example of Karaka ||. এই 150+ কারকের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা | Example of Karaka || এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে এই পোস্টটির নীচে যান এবং ডাউনলোড করুন।

🔘 Join Our Telegram Chanel – Click Here 🔘



[pdf টি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে নিচের লিঙ্কে Click করুন]

150+ কারকের উদাহরণ ও ব্যাখ্যা | Example of Karaka

1. তোমাতে করিব বাস। – কোন ধরনের অধিকরণ?

উওরঃ- ভাবাধিকরণ। কারণ তোমাতে বলতে ‘তোমার ভাবনায়’।

  1. তাকে ভূতে পেয়েছে। কোন  কারক? 

উওরঃ- কর্তৃ কারক। অর্থ : ভূতে ধরেছে।

  1. র‌ইলো পড়ে তোমার কাজ। – কোন কারক?

উওরঃ- কর্তৃ কারক। পড়ে থাকার কাজটি ‘কাজ’-ই করছে।

  1. আমি কি ডরাই সখি ভিখারী রাঘবে? 

উওরঃ- অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান।

5. জীবনে মরণে তোমার সাথে থাকবো।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। জীবনকাল ও মৃত্যুর পরবর্তী কালের কথা বলা হয়েছে।

  1. এই পথটুকু অতিক্রম করে যাও। 

উওরঃ- কর্ম কারক। পথটিকে অতিক্রম করা বোঝাচ্ছে।

  1. আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ।

উওরঃ- কর্ম কারক। প্রাণকে বেঁধেছি, তাই প্রাণ কর্ম।

8. ষড়রিপু জয় করেছেন।

উওরঃ- কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি। ষড়রিপুকে জয় করেছেন।

  1. বাংলায় কোন ক্ষেত্রে কর্ম কারকের বিভক্তি লোপ পায়?

উওরঃ- জড় কর্মে ও বিধেয় কর্মে। বিধেয় কর্মে সব সময় লোপ পায়, জড় কর্মে অধিকাংশ সময় লোপ পায়।

10. গন্ধে টেকা দায়।

উওরঃ- করণ কারক। হেতুবাচক করণ। গন্ধের কারণে টেকা দায়।

11. পিতৃদেবকে পত্র দিলাম। 

উওরঃ- কর্ম কারক। গৌণ-কর্ম। পত্র মুখ্য-কর্ম। জড়ধর্মী কর্ম-পদটি মুখ্য-কর্ম।

12. পথ রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে।

উওরঃ- কর্ম কারক। পথকে রুদ্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে। ‘রুদ্ধ করে’ অসমাপিকা ক্রিয়া, কিন্তু তাতে কোনো অসুবিধা নেই। অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ভিত্তিতে কারক নির্ণয় করতে কোনো বাধা নেই।

13. সামঞ্জস্য বজায় রাখো।

উওরঃ- কর্ম কারক। বজায় রাখা হবে সামঞ্জস্যকেই। যেমন: যদি বলা হয় “ব‌ইগুলো গুছিয়ে রাখো।” তাহলে ব‌ইগুলো কর্ম হবে। এক‌ই ভাবে এখানে ‘সামঞ্জস্য’-কে বজায় রাখতে বলা হচ্ছে।

14. চরণে আশ্রয় দিন। – কোন প্রকার অধিকরণ?

উওরঃ- নৈকট্যসূচক। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। সরাসরি পায়ের উপর আশ্রয় দেওয়া বাস্তবে সম্ভব নয়। পায়ের কাছে আশ্রয় দেওয়াকেই বলে ‘চরণে আশ্রয় দেওয়া’।

15. সম্পদে আমার লোভ নেই। 

উওরঃ- অধিকরণ কারক। বিষয়াধিকরণ‌। সম্পদ বিষয়টি লোভের আধার। কিন্তু যদি বলা হয়: “সম্পদের জন্য ছোটাছুটি করছি।” তাহলে নিমিত্ত কারক হবে।

16. মৃত্যুর জন্য দিন গুনছি। 

উওরঃ- নিমিত্ত কারক।

17. মাটিতে মূর্তি গড়া হয়। 

উওরঃ- করণ কারক। উপাদানবাচক করণ। 

18. ঘাস জন্মালো রাস্তায়। 

উওরঃ- কর্তৃ কারক। জন্মানোর কাজটি ঘাস করলো।

19. আদর্শে তিনি বামপন্থী।

উওরঃ- করণ কারক। আদর্শের মাপকাঠিতে বিচার করলে তিনি বামপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সুতরাং আদর্শ এখানে বিচারের মাপকাঠি। তাই আদর্শ করণ কারক।

  1. তাঁর হাতে অনেক ক্ষমতা আছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক ‌।

21. ছেলেটিকে সবাই ভয় পায়।

উওরঃ-  অপাদান কারক‌। ভয়ের উৎস অপাদান বলে গণ্য হয়।

22. দর্শনী দিয়ে ঠাকুর দেখে এলাম।

উওরঃ- কর্ম কারক। এখানে ‘দিয়ে’ পদটি অসমাপিকা ক্রিয়া, অনুসর্গ নয়, তাই করণ হবে না।

23. মৃত্যুতে জীবনের পরিসমাপ্তি হয়।

উওরঃ- করণ কারক। মৃত্যুর দ্বারা ।

24. চলনে বলনে তিনি হলেন খাঁটি বাঙালি।

উওরঃ- করণ কারক। লক্ষণাত্মক করণ। চলন বলন দেখেই বোঝা যায় যে তিনি বাঙালি। তাই চলন বলন হল চেনার লক্ষণ।

  1. তিনি চাকুরিতে ইস্তফা দিলেন।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। চাকুরি থেকে ইস্তফা দিলেন।

26. খাওয়াতে তোমার মন নেই।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। বিষয়াধিকরণ।

  1. সমস্ত ঘটনাই কার্যকারণে বাঁধা আছে।

উওরঃ- করণ কারক‌। উপায়াত্মক করণ।

28. দিনে-রাতে কোনো ফারাক নেই।

উওরঃ- অধিকরণ কারক।

29. পোকায় কেটেছে।

উওরঃ- কর্তৃ কারক।

30. তোমার চলে যাওয়া মেনে নিতে পারিনি। – কোন প্রকার কর্ম?

উওরঃ- বাক্যাংশ কর্ম। কর্মটির মধ্যে সমাপিকা ক্রিয়া বা বিধেয় নেই। সে কারণে বাক্যাংশ।

31. সৌরভের দুর্দান্ত খেলা ভারতকে জিতিয়েছে। – কোন প্রকার কর্তা?

উওরঃ- বাক্যাংশ কর্তা এবং এক‌ই সঙ্গে প্রযোজক কর্তা। ভারত জিতেছে, সৌরভের খেলা জিতিয়েছে।

32. ছুরি নিয়ে খেলবে না। 

উওরঃ- করণ কারক।

33. পাশ করার জন্য পড়তে হবে।

উওরঃ- নিমিত্ত কারক। এটিকে বাক্যাংশ নিমিত্ত বলা যায়। যদিও এমন ভাগ ব্যাকরণে আলোচিত হয়নি। তবু জেনে রাখা ভালো। জন্য অনুসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে।

34. কলমে কালি নেই।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। স্থানাধিকরণ‌।

35. ঘাস জন্মালো রাস্তায়।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। জন্মানোর কাজটি ঘাস‌ই করেছে।

36. চারা থেকে বৃক্ষে পরিণত হয়েছে।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। রূপান্তরমূলক অপাদান।

  1. এক মুহূর্তে চেহারা বদলে ফেলল।

উওরঃ-  করণ কারক। কালাত্মক করণ। কাজ করতে যতটা সময় লাগে তা করণ হয়, অধিকরণ হয় না।

  1. মাথার উপর পাখা চলছে।

উওরঃ-  কর্তৃ কারক। জড় বস্তু হলেও পাখাই কর্তা, কারণ পাখাই চলছে।

39.  তিনি আকবরের শাসনকালে বর্তমান ছিলেন।

উওরঃ-  অধিকরণ কারক। কালাধিকরণ।

  1. তোমার শয়তানি ঘরে রেখে এসো। 

উওরঃ- কর্ম কারক।

  1. এ বছর চাষে কিছু পাইনি।

উওরঃ- অপাদান কারক‌।

42. ধনী কর্তৃক গরিব শোষিত হয়।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। অনুক্ত কর্তা। 

  1. “কণ্টক গাড়ি কমলসম পদতল মঞ্জির চীরহি ঝাঁপি…” 

উওরঃ- করণ কারক। চীর অর্থে কাপড়। কাপড় দিয়ে নূপুর ঢেকে (রাধিকা বর্ষাভিসারে যাওয়ার অনুশীন করছেন)।

44. বাবাকে একটা চিঠি লিখেছি। 

উওরঃ- বাবাকে – গৌণ কর্ম, চিঠি – মুখ্য কর্ম। 

  1. চঞ্চল চিএ প‌ইঠো কাল।(চর্যাপদ)

উওরঃ- অধিকরণ কারক। অর্থ: চঞ্চল চিত্তে কাল প্রবেশ করল।

  1. নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?

উওরঃ- কর্তৃ কারক। এড়ানোর কাজটির কর্তা দেবালয়।

  1. শিশু কান্দে ওদনের তরে।(মুকুন্দরাম চক্রবর্তী)

উওরঃ- নিমিত্ত কারক। ওদনের তরে অর্থ ভাতের জন্য।

  1. নূতনের ঢালাই করিতেছি পুরাতনের ছাঁচে।

উওরঃ- করণ কারক। ছাঁচ এখানে ঢালাইয়ের উপকরণ।

49. রূপে সে লক্ষ্মী। 

উওরঃ- করণ কারক। লক্ষণাত্মক করণ। রূপের দ্বারা বিচার করা হচ্ছে।

  1. কবিতার ছত্রে ছত্রে করুণ রস সৃষ্টি হয়েছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। অধিকরণের বীপ্সা।

51. জনমানসে বিরূপ প্রভাব পড়বে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক।

  1. ফলটি গাছের ডালে ঝুলছে।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। ক্রিয়াপদ ‘ঝুলছে’ না হয়ে ‘আছে’ হলে অধিকরণ কারক হতো। কারক সবসময় ক্রিয়ার উপর নির্ভর করে।

53. তিলে তেল আছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক।

54. তিলে তেল হয়।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। আগের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

55. শিক্ষকের কাছে আমরা শিক্ষা পাই।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। শিক্ষক এখানে শিক্ষার উৎস। কাছে- অনুসর্গ।

  1. সব কথা মুখে বলা যায় না।

উওরঃ- করণ কারক। মুখের সাহায্যে বলা যায় না।

  1. কথাটা লোকের মুখে শুনেছি।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। মুখ থেকে শুনেছি। আগের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

  1. বাবা কাজে গেছেন।

উওরঃ- নিমিত্ত কারক। কাজের উদ্দেশ্যে গেছেন।

  1. আমি আগামীকাল কাজে যোগ দেবো।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। উপরের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়। একটি যাওয়া, অন্যটি যুক্ত হ‌ওয়া বোঝাচ্ছে। যাওয়ার ক্ষেত্রে কাজ উদ্দেশ্য, যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আধার।

60. ঝগড়াতে সে বরাবর প্রথম।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। বিষয়াধিকরণ। ঝগড়া বিষয়ে প্রথম।

  1. স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়াতে পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।

উওরঃ- করণ কারক। আগের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

  1. লোকটি নেশায় ডুবে আছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। ভাবাধিকরণ।

  1. মদের নেশায় তার প্রাণটা কেড়ে নিল।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। নেশা এখানে প্রাণ নেওয়ার কাজ করছে। আগের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

  1. মদের নেশায় সে অসুস্থ হয়েছে।

উওরঃ- করণ কারক। এখানে কর্তা সে, তার অসুস্থ হ‌ওয়ার কারণ নেশা। হেতুবাচক করণ।

  1. তার একমাত্র সুখ নেশাতে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। নেশা এখানে ভাবাধিকরণ

  1. ওকে কথায় ভোলানো যাবে না।

উওরঃ- করণ কারক। কথার দ্বারা।

  1. তোমার কথায় ব্যঙ্গের সুর ছিলো।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। কথার মধ্যে ব্যঙ্গের সুর ছিলো।

68. চরাচরে অন্ধকার নেমে এল।

উওরঃ- অধিকরণ কারক।

69. চরাচর অন্ধকারে ডুবে গেলো।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। উপরের উদাহরণের সঙ্গে ভাবের কোন‌ও পার্থক্য না থাকলেও আলাদা কারক হয়েছে, কারণ ক্রিয়া দুটি আলাদা।

70. মা, আমাকে জল দাও।

উওরঃ- সম্বোধন পদ। মনে হতে পারে জল দেওয়ার কাজটি মা করছে, কিন্তু এই বাক্যের কর্তা ‘তুমি’ ঊহ্য আছে। যে ব্যক্তি জল দেবে তাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে।

  1. তোমার চোখে জল পড়ছে। 

উওরঃ- অপাদান কারক‌। চোখ থেকে জল পড়ছে।

  1. আমার চোখে ধুলো পড়েছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। 

  1. সোনার সীতারে হরেছে রাবণ।

উওরঃ- কর্ম কারক।

  1. মুঠি মুঠি ধানে গহনা তাহার পড়িয়াছে বুঝি ঝরে।

উওরঃ- করণ কারক। ধানের দ্বারাই কবির কল্পনায় গহনার ছবি ফুটে উঠেছে। ধান এখানে গহনার প্রতিরূপ গঠনে সাহায্য করছে।

  1. ছেলেটি খেতে খুব ভালোবাসে।

উওরঃ- কর্ম কারক। অসমাপিকা ক্রিয়া-রূপী কর্ম।

76. চিকিৎসার জন্য শহরে এসেছি।

উওরঃ- নিমিত্ত কারক। চিকিৎসা এখানে আমার আসার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য।

  1. ভুল চিকিৎসার জন্য মারা গেছে।

উওরঃ- করণ কারক। ভুল চিকিৎসা এখানে মৃত্যুর কারণ। উপরের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

  1. ইলিশের মরসুমে ঘরে বসে থাকলে কুবেরের চলবে না।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। কালাধিকরণ।

  1. এখন ইলিশের মরসুম চলছে।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। চলছে ক্রিয়ার কর্তা মরসুম। মরসুমটিই চলছে।

  1. প্রতি বলে ছক্কা হাঁকাচ্ছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। বল ছক্কা হাঁকানোর আধার। এখানে বস্তুগত বল বোঝাচ্ছে না। ডেলিভারির ঘটনাটিকে ‘বল’ বলা হচ্ছে। (হিন্দি : हर गेंद पर छक्का लगा रहा है। হিন্দিতে ‘পর’,’মে’ বিভক্তি অধিকরণে ব্যবহৃত হয়, করণ ও অপাদানে ‘সে’ বিভক্তি।)

  1. দশ বলে পনেরো রান করতে হবে।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। দশ বল থেকে পনেরো করতে হবে।

82. ভয়ে প্রাণ শুকিয়ে গিয়েছিল।

উওরঃ- করণ কারক। ভয় এখানে প্রাণ শুকিয়ে যাওয়ার কারণ। ভয়ের উৎসটি অপাদান হয়, ভয় যখন কারণ হিসেবে কাজ করে, তখন ভয় করণ হবে।

83. কাপড়ে রঙ লেগেছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। স্থানাধিকরণ।

  1. খাবারগুলো কাপড়ে বাঁধো। 

উওরঃ- করণ কারক। কাপড় দিয়ে বাঁধা হবে।

  1. তাঁর কাপড়ে কোনো জাঁকজমক নেই।

উওরঃ- অধিকরণ কারক।

  1. ব‌ইটা একরাতে পড়ে শেষ করলাম।

উওরঃ- করণ কারক। কালাত্মক করণ। ক্রিয়া সম্পাদন করতে কত সময় লেগেছে তা বোঝানো হচ্ছে। 

  1. ব‌ইটা কাল রাতে পড়লাম।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। কখন পড়লাম তা বোঝাচ্ছে।

88. আমাগো দ্যাশে শান্তি নাই।

উওরঃ- সম্বন্ধ পদ। বঙ্গালি উপভাষায় সম্বন্ধ পদে ‘গো’ বিভক্তি যুক্ত হয়।

  1. বাঘে-গোরুতে এক ঘাটে জল খায়। – কোন ধরনের কর্তা?

উওরঃ- সহযোগী কর্তা। বাঘ ও গোরু সহযোগিতার ভিত্তিতে এক‌ই কাজ করে।

  1. একটা ভাঙা কাপে চা খাচ্ছিলাম।

উওরঃ- অপাদান কারক‌। কাপ থেকে চা খাচ্ছিলাম। 

  1. চা-টা কাপে ঢালো।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। ঢালা ক্রিয়ার আধার কাপ।

  1. পাখির কূজনে পরিবেশ মুখরিত হল।

উওরঃ- করণ কারক। 

  1. পাখির কূজনে অপরূপ মিষ্টতা আছে।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। উপরের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

94. দাদা, একটু সরে দাঁড়ান।

উওরঃ- সম্বোধন পদ‌

  1. গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।

উওরঃ- কর্তৃ কারক।

  1. তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ সুরের বাঁধনে।

উওরঃ- করণ কারক। সমধাতুজ করণ।

97. তুমি দীর্ঘজীবী হ‌ও।

উওরঃ- কর্তৃ কারক।

  1. তুমি এখন কী কথা ভাবছো?

উওরঃ- কর্ম কারক। 

  1. তুমি এখন কী ভাবছো?

উওরঃ- কর্ম কারক। আগের উদাহরণের ‘কী’ পদটি ‘কথা’-র বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।

  1. তোমার পরিচর্যায় সে সুস্থ হয়েছে।

উওরঃ- করণ কারক। পরিচর্যা তাকে সুস্থ হতে সাহায্য করেছে।

  1. একজন মনোবিদকে দেখিয়ে নাও।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। প্রযোজ্য কর্তা। প্রযোজক কর্তা ঊহ্য আছে।

  1. সঙ্গে কিছু নাও।

উওরঃ- কর্ম কারক।

  1. সঙ্গে কিছু নেই।

উওরঃ- কর্তৃ কারক। উপরের উদাহরণের সঙ্গে পার্থক্য লক্ষণীয়।

  1. কাজটা যে-কেউ করতে পারে।

উওরঃ- কর্তৃ কারক।

  1. আমরা ছুটি প্রার্থনা করছি।

উওরঃ- কর্ম কারক।

106. ছুটিতে দার্জিলিং বেড়াতে যাবো।

উওরঃ- অধিকরণ কারক। কালাধিকরণ। ছুটি এখানে একটি বিশেষ সময় বোঝাচ্ছে।

🔘 Join Our Telegram Chanel – Click Here 🔘



-ঃআরও পড়ুনঃ–

🔵🔴 ভারতের বৃহত্তম, দীর্ঘতম ও উচ্চতম pdf- Click Here

🔵🔴 বিপরীত শব্দ pdf- Click Here

🔵🔴 কম্পিউটার ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴 পরিবেশ বিদ্যা প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴 বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম ও নামকরণকারী দেশ pdf- Click Here

🔵🔴 সমোচ্চারিত শব্দ বা সমার্থক শব্দ pdf- Click Here

🔵🔴 বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর pdf- Click Here

🔵🔴 বছরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিন pdf- Click Here

🔵🔴 100+ সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর pdf- click Here

🔵🔴 ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর pdf- click Here

🔵🔴 WBCS preliminary practice set pdf- Click Here

🔵🔴 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴  ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর – Click Here 

🔵🔴  দৈনিক ১০টি স্পেশাল MCQ – Click Here

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।