July 2, 2020
important of Sports

important of Sports

important of Sports : Sports mothers fight, sports mothers survive and die; There is nothing but play. Rabindranath Tagore Since ancient times, important of Sports have been recognized as the main source of physical and mental development of human beings. With the full development of body and mind, it is possible to form a complete human character. Just as knowledge is necessary for the development of the mind, so is sports necessary for the physical development and well-being. If the body is not healthy, the development of the mind is not possible. A famous quote of Swami Vivekananda is memorable in this context: “A weak brain cannot do anything. We have to change that and get a stronger brain. Be strong. If they play football instead of reading the Gita, they will be closer to heaven. In fact, in sports, people find a treasure trove of endless joy.

খেলাধুলার গুরুত্ব (The important of sports)

খেলা মােদের লড়াই করা , খেলা মােদের বাঁচা মরা ; খেলা ছাড়া কিছুই কোথাও নাই । ” —রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রাচীনকাল থেকেই খেলাধুলা মানুষের শারীরিক গঠন ও মানসিক বিকাশের প্রধান উৎস হিসেবে স্বীকৃত । দেহ এবং মনের পরিপূর্ণ বিকাশের মধ্যে দিয়ে মানুষের পূর্ণাঙ্গ চরিত্রগঠন সম্ভব হয় । মনের বিকাশের জন্য যেমন জ্ঞান অর্জনের প্রয়ােজন , তেমন দৈহিক বিকাশ ও সুস্থতার জন্য প্রয়ােজন খেলাধুলা । দেহ সুস্থ না থাকলে মনের বিকাশও সম্ভব নয় । স্বামী বিবেকানন্দের একটি বিখ্যাত উক্তি এ প্রসঙ্গে স্মরণীয়— “ দুর্বল মস্তিষ্ক কিছুই করিতে পারেনা । আমাদিগকে উহা বদলাইয়া সবল মস্তিষ্ক হইতে হইবে । তােমরা সবল হও । গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলিলে তােমরা স্বর্গের সমীপবর্তী হইবে । ” বস্তুত খেলাধুলার মধ্যেই মানুষ খুঁজে পায় অফুরন্ত আনন্দের ভাণ্ডার ।

খেলাধুলার প্রয়োজনীয়তা

খেলাধুলার বিবর্তন ও বিশ্বভ্রাতৃত্ববােধ ও খেলাধুলা মানবসমাজে আদিকাল থেকে চলে আসছে । দেশ ও জাতির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য , নিজস্ব জীবনবােধ , ভৌগােলিক অবস্থানের মধ্য দিয়ে খেলাধুলার অভ্যাস , প্রকৃতি ও পদ্ধতি গড়ে ওঠে । ক্রিকেট , ফুটবল , হকি , লন টেনিস , টেবিল টেনিস , ব্যাডমিন্টন , ভলি , দাবা — ইত্যাদি এক এক দেশের নিজস্ব খেলা আজ বিশ্বের ক্রীড়াঙ্গনে স্বীকৃতি লাভ করেছে । দেশে দেশে এখন নিয়মিত খেলার আসর বসে । অজস্র ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের মন জয় করেছে ক্রীড়াবিদরা । ভৌগােলিক বেড়াজাল , জাতিগত ও ধর্মগত ভিন্নতা মুছে গিয়ে মানুষ মানুষের আরও নিকটে আসার সুযােগ পেয়েছে । অলিম্পিক ক্রীড়ানুষ্ঠান বিশ্বের ক্রীড়ামােদী মানুষের এক মিলনক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে । অলিম্পিকের অনুসরণে গড়ে উঠেছে এশিয়াড । এইসব ক্রীড়ানুষ্ঠান দূরের ব্যবধান ঘুচিয়ে মানুষকে আরও কাছে টেনে এনেছে । এর মধ্যে দিয়েই এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের শুভেচ্ছা বিনিময় ঘটে । ভাবের আদানপ্রদানের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্প্রীতির সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে । দূরদর্শনের পর্দায় খেলা দেখে সারাবিশ্বের কোটি কোটি ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক মুগ্ধ হন এবং অকুণ্ঠ প্রশংসা ও ভালােবাসায় অভিনন্দিত করেন ক্রীড়াবিদদের।

ফুটবল খেলার গুরুত্ব

খেলাধুলার গুরুত্ব(The important of sports)

খেলাধুলার মধ্য দিয়ে চরিত্রগঠনের সূত্রপাত জন্মলগ্ন থেকে শিশুর খেলাধুলার প্রতি এক সহজাত আকর্ষণ থাকে । শিশু জন্মের পর থেকে পা – ছুড়ে খেলা করে । এইভাবে খেলার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে সে বড়াে হতে থাকে । বয়ােবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গৃহের গণ্ডি পেরিয়ে বৃহত্তর ক্রীড়াঙ্গনে প্রবেশ করে । এইভাবে বৃহত্তর জগতে প্রবেশের ফলে সে মানসিক সংকীর্ণতা থেকে মুক্ত হওয়ার সুযােগ পায় ।

খেলাধুলা ও শৃঙ্খলাবােধ ও নিয়মিত খেলাধুলা ও শরীরচর্চার মধ্য দিয়ে মানুষের মনে গড়ে ওঠে শৃঙ্খলাবােধ । ক্রীড়াঙ্গনে নিয়মিত শৃঙ্খলাবােধের অনুশীলনে দেহ হয়ে ওঠে সুস্থ , সবল , মন হয় ওঠে সতেজ ও সুন্দর । মনে সমষ্টি বােধের জাগরণ ঘটে । ফলে দলগত আদর্শ ও ঐক্যবােধের উন্মেষ ঘটে । ব্যক্তিগত স্বার্থ মন থেকে বিলুপ্ত হয় । সেই জায়গায় সমষ্টির কল্যাণ চিন্তা বা দলগত ঐক্য মুখ্য হয়ে ওঠে । এই দলগত শৃঙ্খলাবােধই একটি জাতির উন্নতির সােপান । এইজন্য বর্তমানে প্রত্যেক রাষ্ট্রেই খেলাধুলাের মূল্য অপরিসীম । খেলাধুলা ও চরিত্রগঠন ও নিয়মিত শৃঙ্খলা ও সংযম মেনে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে চারিত্রিক দৃঢ়তা ও মানসিক বলিষ্ঠতার জন্ম হয় । খেলাধুলা মানুষের মনে ভারসাম্যের সৃষ্টি করে । খেলার মাঠে ও জীবনের প্রত্যেক ক্ষেত্রে মানুষকে প্রতিযােগিতার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হয় । এই প্রতিযােগিতায় সাফল্য – ব্যর্থতা , জয়পরাজয় আছে । সাফল্যের বা জয়ের উল্লাসে যেমন অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস এবং আত্মতুষ্টি ভালাে নয় , তেমনি ব্যর্থতা বা পরাজয়ে মনােবল হারানাে বা ভেঙে পড়াও ঠিক নয় । খেলাধুলার মাধ্যমে সব রকম প্রতিকুলতার মধ্যে সমমানসিকতা বজায় রাখার অভ্যাস গড়ে ওঠে । খেলাধুলা মানুষকে শেখায় নিয়মানুবর্তিতা , পরমতসহিষুতা , সহনশীলতা , সংকল্পের দৃঢ়তা , ধৈৰ্য্য , একাগ্রতা ও উদারতা ।

খেলার সরঞ্জাম

সবশেষে বলা যায়,বর্তমানে দেশের বিপুল সংখ্যক ছাত্রছাত্রী আজ খেলাধুলার সুযােগসুবিধা থেকে বঞ্চিত । কিন্তু শিক্ষালাভের সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলার সুযােগসুবিধা পেলে ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়বে । ফলে অপসংস্কৃতির দিকে তাদের প্রবণতা কমবে ; বাড়বে সাহস ও শৌর্য । ভীরুতা ও কাপুরুষতার খােলসমুক্ত হয়ে তারা হয়ে উঠবে বিপদ – ভয়হীন , নিঃশক ও উদারচেতা ।

আরও পড়ুনঃ 26th June current affairs

Leave a Reply