পদার্থবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সমূহ || Important principles of physics ||

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি Important principles of physics. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে পদার্থবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সমূহ || Important principles of physics ||. এই পদার্থবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সমূহ || Important principles of physics || টি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে এই পোস্টটির নীচে যান এবং ডাউনলোড করুন।

🔘 Join Our Telegram Chanel – Click Here 🔘

[pdf টি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে নিচের লিঙ্কে Click করুন]

পদার্থবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ সূত্র সমূহ || Important principles of physics ||

  1. আর্কিমিডিসের নীতি (Arcitinuedes Principle):

কোন বস্তুকে তরলে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত করলে বস্তুটি উদ্ধচাপ অনুভব করে, সেই চাপ বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজনের সমান, অর্থাৎ বস্তুটির ওজনের আপাত হ্রাস অপসারিত তরলের ওজনের সমান হয়। এই নীতিটি খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে গ্রীক গাণিতিক আর্কিমিডিসের দ্বারা আবিষ্কৃত।

  1. অ্যাভােগাড্রোর সূত্র (Avagadri’s Law):

সম তাপমাত্রায় ও চাপে একই আয়তনের সমস্ত গ্যাসের অণুর সংখ্যা সমান হয়। ইটালীর বিজ্ঞানী অ্যামেডিওস অ্যাভােগাড্রোকে এই প্রকল্পটি 1811 খ্রীঃ প্রেরণা দিয়েছিল এবং পরে তা সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছিল।

  1. নিউটনের সূত্রসমূহ (1642-1727) (Newton’s Law):

(I) মহাকর্ষের সূত্র (Law of Gravitation) – এই বিশ্বের বস্তুগুলি পরস্পর পরস্পরকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তা বস্তু দুটির ভরের গুণফলের সমানুপাতিক ও তাদের মধ্যে দূরত্বের বর্গের ব্যাস্তানুপাতিক। পৃথিবীর উপরিপৃষ্ঠে বা তার কাছাকাছি কোনাে বস্তুর ভর পৃথিবীর ভরের তুলনায় অনেক কম এবং বস্তু ও পৃথিবীর মধ্যে মহাকর্ষ বলের ফলে বস্তু পৃথিবীর দিকে পতিত হয়। এই কারণে শূন্যস্থানে একটি সীসার ঢাকতি গিনি এবং একটি পালক সমবেগে নীচের দিকে নেমে আসে।

(II) নিউটনের প্রথম গতিসূত্র (Newton’s First Law of Motion) – বাহ্যিক প্রযুক্তি বলের দ্বারা অবস্থার পরিবর্তন না ঘটালে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে, সরলরেখায় গতিশীল থাকে। এই সূত্রকে বলা হয় জাড্য সূত্র।

(III) নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র (Newton’s Second Law of Motion) – কোনাে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার বস্তুটির উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল সরলরেখা বরাবর যে দিকে প্রযুক্ত হয় ভরবেগের পরিবর্তন সেই দিকেই ঘটে। আরেকভাবে বললে, বল হলাে ভর ও ত্বরণের গুণফলের সমান।

(IV) নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র (Newton’s Third Law of Motion) – প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান এবং বিপরীত প্রতিক্রিয়া ঘটে। বন্দুক থেকে গুলি ছুঁড়লে বিপরীত দিকে ধাক্কা অনুভূত হয় — এই সূত্রের ভিত্তিতে ঘটে।

(V) নিউটনের শীতলকরণ সূত্র (Newton’s Law of Cooling) – একটি বস্তু যে হারে তার চারিপাশে তাপ বর্জন বা মােচন করে তা বস্তুটির অতিরিক্ত গড় তাপমাত্রার সমানুপাতিক, যদি এই তাপমাত্রা চারিপাশের তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হয় এবং যদি এই তাপমাত্রা কোনাে ভাবেই অতিরিক্ত না হয়।

  1. কুলম্বের সূত্র (1738-1806) (Coulomb’s Law):

যদি দুটি তড়িৎ আধানের মধ্যেকার বল দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা যায়, তাহলে আধান দুটির মধ্যের বল পূর্বের বল অপেক্ষা 1/4 অংশ কমে যায়। SI পদ্ধতিতে তড়িৎ আধানের একক হলাে কুলম্ব। আবিষ্কারক চার্লস অগুস্টিন ডে কুলম্বের নামে এই এককটির নামকরণ হয়েছে।

  1. স্টিফ্যান্সের সূত্র (1835-1833) (Stefan’s Law):

একটি কালাে বস্তু থেকে নির্গত বিকীর্ণ শক্তি, তার পরম তাপমাত্রার চারগুণের সমান।

  1. প্যাস্কালের সূত্র (1623-1662) (Pascal’s Law):

(i) তরলের উপর চাপ প্রয়ােগ করলে, পরিবর্তিত সম্পূর্ণ চাপ তরলের সব অংশের উপর পড়ে। হাইড্রলিক চাপের মতাে হাইড্রোলিক মেশিন এই নীতির ভিত্তিতে কাজ করে।

(ii) উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুমন্ডলীয় চাপ কমতে থাকে। চাপের SI একক হলাে প্যাস্কাল। আবিষ্কারক প্যাস্কালের নামে এই এককের নামকরণ হয়েছে।

  1. হুকের সূত্র (1635-1703) (Hooke’s Law):

একটি স্প্রিং এর প্রসারণ, তার প্রসারিত হওয়ার টানের সঙ্গে সমানুপাতিক। দ্বিগুণ প্রসারণের জন্য টান দ্বিগুণ হয়।

  1. লেঞ্জের সূত্র (1805-1865) (Lez’s Law):

সব তড়িৎ চুম্বকীয় আবেগের ক্ষেত্রে আবিষ্ট তড়িৎ প্রবাহের অভিমুখ এমন হয় যে, তা উৎপন্ন হওয়া মাত্রই ঐ প্রবাহের প্রতিক্রিয়া যে কারণে আবিষ্ট প্রবাহের সৃষ্টি হয় সবসময় সেই কারণকে বাধা দেয়।

  1. ডালটনের সূত্র (1766-1844) (Dalton’s Law):

একটি মিশ্র গ্যাসের (বাষ্পের) ওপর সম্পূর্ণ চাপ তার উপাদানগুলির প্রতিটির উপর প্রযুক্ত আংশিক চাপের যােগফলের সমান ; অর্থাৎ ঐ মিশ্রণের প্রতিটি উপাদান, মিশ্রণের আয়তনের সম আয়তন অর্জনে যে চাপ প্রদান করে তার সমষ্টির সমান।

1803 সালে ডালটন তার পারমাণবিক তত্ত্বটি প্রকাশ করেন। এখানে বলা হয়েছে — প্রত্যেক পদার্থ যে কণা বা পরমাণু দ্বারা গঠিত তা রাসায়নিক পরিবর্তনের সময় অবিভক্ত থাকে। একই রাসায়নিক মৌলের মধ্যে একই রকম পরমাণু থাকে ; পরমাণুগুলির ওজন অভিন্ন, অন্যদিকে বিভিন্ন মৌলের পরমাণুগুলি বিভিন্ন হয় এবং তাদের ধর্ম, ওজন এবং রাসায়নিক যৌগ গঠনের সময় মৌলের সরল অনুপাতগুলি বিভিন্ন হয়।

  1. ফ্যারাডের সূত্র (1791-1867) (Faraday’s Law):

(I) তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র (Law of Electrolysis):

(a) তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় যে পরিমাণে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, তা উৎপন্ন আধানের সঙ্গে সমানুপাতিক।

(b) একই পরিমাণ তড়িৎ আধান দ্বারা যে পরিমাণ পদার্থের ভর মুক্ত হয় বা জমা হয়, তা পদার্থগুলির রাসায়নিক তুল্যাঙ্কের সঙ্গে সমানুপাতিক। 

(II) তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের সূত্র (Law of Electromagnetic Induction):

(a) পরিবাহীর চারপাশের চুম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে পরিবর্তন ঘটানাে হলে পরিবাহীর মধ্যে তড়িৎচুম্বকীয় প্রবাহ আবিষ্ট হয়।

(b) তড়িৎ চুম্বকীয় প্রবাহের মাত্রা, চুম্বকক্ষেত্রের পরিবর্তনের মাত্রার সঙ্গে সমানুপাতিক।

(c) আবিষ্ট তড়িৎ চুম্বকীয় প্রবাহের অভিমুখ, চুম্বকক্ষেত্রের অভিমুখ পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে।

  1. ওহমের সূত্র (1787-1854) (Ohm’s Law):

কোনাে তড়িৎ বর্তনীর মধ্যে দিয়ে যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহিত হয়, তা নির্ভর করে ব্যাটারীর ভােল্টেজের উপর অথবা যে ডায়নামােটি ব্যাটারীতে ক্ষমতা প্রদান করে তার উপর। অন্যভাবে বললে, একটি পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ, পরিবাহীর মধ্যে যে বিভব প্রভেদ সৃষ্টি করে তার সঙ্গে সমানুপাতিক এবং পরিবাহীর রােধের সঙ্গে ব্যাস্তানুপাতিক। তড়িৎ রােধের প্রতিষ্ঠাতা, জর্জ সাইমন ওহমের নামে SI পদ্ধতিতে এর একটি নামকরণ হয়েছে, ওহম (Ohm)।

Important principles of physics Pdf টি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে Download করার জন্য নিচে দেওয়া লিংকে Click করুন”

File Details:-

File Name:- Important principles of physics pdf in Bengali  [www.ajjkal.com]
File Format:- Pdf
Quality:- High
Size:-  3 Mb File
Location:- Google Drive

Download:- Click Here to Download

🔶 কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তরঃ-

  1. কে সর্বপ্রথম প্রমাণ করেন যে জৈব যৌগের প্রধান উপাদান কার্বন?

উত্তর: বিজ্ঞানী ল্যাভয়সিয়ে 1784 খ্রিস্টাব্দে প্রমাণ করেন।

  1. পরীক্ষাগারে সর্বপ্রথম কে , কোন জৈব পদার্থ প্রস্তুত করেন?

উত্তর: বিজ্ঞানী ভোল্হার অ্যামোনিয়া সায়ানেট থেকে পরীক্ষাগারে সর্বপ্রথম ইউরিয়া প্রস্তুত করেন।

  1. কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম পরীক্ষাগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড প্রস্তুত করে দেখান?

উত্তর: বিজ্ঞানী কোলবে।

  1. জৈব যৌগ কি ?

উত্তর: কার্বনের অক্সাইড, ধাতব কার্বনেট ও বাই কার্বনেট, ধাতব সায়ানাইড ও হাইড্রোজেন সায়ানাইড বাদে কার্বন দ্বারা গঠিত যে যৌগ গুলির মধ্যে কার্বনের ক্যাটিনেশন ধর্ম , সমাবয়বতা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য গুলি থাকে তাদের জৈব যৌগ বলে।

  1. জৈব রসায়ন কাকে বলে?

উত্তর: রসায়ন বিজ্ঞানের যে শাখায় জৈব যৌগ ও তার বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে জৈব রসায়ন বলে।

  1. অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কাকে বলে?

উত্তর: যেসব হাইড্রোকার্বন যৌগের অণুতে কমপক্ষে দুটি কার্বন পরমাণু পরস্পরের সঙ্গে সমযোজী দ্বিবন্ধন কিংবা ত্রিবন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে, তাদেরকে অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বলে।

  1. অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন দুই প্রকার। যথা: অ্যালকিন ও অ্যালকাইন।

  1. অ্যালকিন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: দ্বিবন্ধন যুক্ত অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কে অ্যালকিন বলে। যেমন ইথিলিন ( C2H4)

  1. অ্যালকেনের সাধারণ সংকেত কি?

উত্তর: CnH2n

  1. অ্যালকাইন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: ত্রিবন্ধন যুক্ত অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন কে অ্যালকাইন বলে। যেমন : অ্যাসিটিলিন ( C2H2)

  1. অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত কি?

উত্তর: অ্যালকাইনের সাধারণ সংকেত হলো C2H2

  1. হাইড্রোকার্বন মূলক কাকে বলে?

উত্তর: হাইড্রোকার্বন থেকে এক বা একাধিক হাইড্রোজেন পরমাণু অপসারিত হয়ে কার্বন এবং হাইড্রোজেন ঘটিত যে পরমাণু জোট পাওয়া যায় যা রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সাধারণত অপরিবর্তিত থাকে তাকে হাইড্রোকার্বন মূলক বা জৈব মূলক বলে। যেমন মিথেন (CH4) থেকে একটি হাইড্রোজেন পরমাণু অপসারিত হয়ে মিথাইল ( -CH3) উৎপন্ন হয়।

  1. কার্যকরী মূলক কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

উত্তর: যেসব সক্রিয় পরমাণু পরমানু পুঞ্জো জৈব যৌগের গঠন এ উপস্থিত থেকে তাদের প্রকৃতি, ধর্ম এবং রাসায়নিক বিশিষ্টতা নির্ধারণ করে তাদের কার্যকরী মূলক বা ক্রিয়াশীল গ্রুপ বলে। যেমন – হাইড্রোক্সিল ( -OH) , কার্বক্সিল ( -COOH)

  1. ফেনলে উপস্থিত কার্যকরী মূলকের নাম ও সংকেত লেখ।

উত্তর: হাইড্রোক্সিল ( -OH)

  1. অ্যাসিটিক অ্যাসিডে উপস্থিত কার্যকরী মূলকের নাম ও সংকেত লেখ।

উত্তর: কার্বক্সিল ( -COOH)

  1. অ্যাসিটোন উপস্থিত কার্যকরী মূলকের নাম ও সংকেত লেখ।

উত্তর: কিটো ( -CO)

  1. সমাবয়বতা কাকে বলে? সমাবয়বতা কয় প্রকার ও কি কি?

উত্তর: একই আণবিক সংকেত বিশিষ্ট কিন্তু ভিন্ন আণবিক গঠন ও ধর্ম বিশিষ্ট যৌগ গুলিকে সমবয়বী যৌগ বলে এবং এই ঘটনাকে সমবায়তা বলে।
সমাবয়বতা দুই প্রকার। যথা: গঠনমূলক সমাবয়বতা ও ত্রিমাত্রিক সমাবয়বতা।

  1. গঠনমূলক সমবায়তা কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

উত্তর: জৈব যৌগের পরমাণুগুলির আণবিক গঠন এর ভিন্নতার জন্য যে সমবয়বতার সৃষ্টি হয় তাকে গঠনমূলক সমবয়বতা বলে। CH3CH2OH এবং CH3-O-CH3 যৌগ দুটির আণবিক সংকেত একই কিন্তু কার্যকরী মূলক ভিন্ন হওয়ায় সমবয়বতা সৃষ্টি হয়েছে।

  1. কার্যকরী মূলক ঘটিত সমবয়বগুলির রাসায়নিক ধর্ম ভিন্ন হয় কেন?

উওর: সমবায় গুলির আণবিক সংকেত এক হলেও তাদের গঠন সংকেত আলাদা হওয়ায় তাদের রাসায়নিক ধর্ম আলাদা হয়। যেমন অ্যালকোহল এর তুলনায় ইথার নিষ্ক্রিয় পদার্থ।

  1. নিচের কোনটি আলাদা: মিথেন ,প্রোপেন, ইথানল, বিউটেন?

উত্তর: ইথানল । ( কারণ বাকি সবগুলো অ্যালকেন সমগনীয় শ্রেণীর অন্তর্গত)

  1. IUPAC এর সম্পূর্ণ কথা কি?

উত্তর: ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ পিওর এন্ড অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি।

  1. ফল পাকাতে কোন জৈব যৌগ ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: ইথিলিন ( C2H4)

  1. কার্বাইড বাতিতে কোন গ্যাস জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: অ্যাসিটিলিন গ্যাস ( C2H2)

  1. এলপিজি (LPG) এর প্রধান উপাদান কি?

উত্তর: এলপিজি (LPG) এর প্রধান উপাদান হলো বিউটেন।

  1. সিএনজি (CNG) এর প্রধান উপাদান কি?

উত্তর: সিএনজি (CNG) এর প্রধান উপাদান হলো মিথেন।

  1. ইথিলেনে সঙ্গে হাইড্রোজেনের যুত বিক্রিয়ায় কি ঘটে বিক্রিয়াসহ দেখাও

উত্তর: 250 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নিকেল চূর্নের ওপর দিয়ে ইথিলিন ও হাইড্রোজেন এর মিশ্রণ চালনা করলে ইথেন উৎপন্ন হয়।

H2C=CH2 + H2 → H3C-CH3 ( ইথেন )
( শর্তঃ – Ni অনুঘটক / 250°C তাপমাত্রা )

  1. ইথিলিনের পলিমার এর নাম কি?

উত্তর: পলিথিন

  1. ব্রোমিন এর সঙ্গে ইথিলিনের যুত বিক্রিয়ায় কি ঘটে বিক্রিয়াসহ লেখ।

উত্তর: ক্লোরোফর্মের রবিনকে দ্রবীভূত করে তার মধ্য দিয়ে ইথিলিন গ্যাস চালনা করলে বর্ণহীন ইথিলিন ডাই ব্রোমাইড উৎপন্ন হয়।
H2C=CH2 +Br2 → BrH2C + CH2Br ( ইথিলিন ডাই ব্রোমাইড)

  1. একটি জৈব যৌগের নাম লেখ যা গ্যাসীয় হলেও তার পলিমার কঠিন পদার্থ।

উত্তর: ইথিলিন গ্যাসীয় পদার্থ কিন্তু পলিথিন কঠিন পদার্থ।

  1. ব্রোমিন এর সঙ্গে অ্যাসিটিলিন এর যুত বিক্রিয়ায় কি ঘটে বিক্রিয়াসহ লেখ।
    অথবা, কিভাবে প্রমান করবে অ্যাসিটিলিন একটি অসম্পৃক্ত যৌগ?

উত্তর: ব্রোমিন এর সঙ্গে অ্যাসিটিলিন এর বিক্রিয়ায় প্রথমে বর্ণহীন ডাইক্লোরো মিথেন উৎপন্ন হয় ডাইব্রোমো ইথিলিন উৎপন্ন হয়। এই বিক্রিয়া প্রমাণ করে যে অ্যাসিটিলিন একটি অসম্পৃক্ত যৌগ।

  1. নিচের কোনটি সংশ্লেষিত পলিমার নয়?

উত্তর: পলিথিন, PVC, টেরিলিন, সেলুলোজ
উত্তর: সেলুলোজ।

  1. একটি বায়ো-ডিগ্রেডেবল পলিমারের উদাহরণ দাও।

উত্তর: সেলুলোজ।

  1. Non-biodegradable পলিমারের দুটি ক্ষতিকর প্রভাব লেখ।

উত্তর: নন বায়োডিগ্রেডেবল পলিমার গুলির নাম গুলি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর ভিনাইল ক্লোরাইড, স্টাইরিন ইত্যাদি।
নন বায়োডিগ্রেডেবল পলিমার গুলি পরিবেশে মাটির সঙ্গে মিশে যায় না ফলে মাটি দূষণ হয়।

  1. ইথাইল অ্যালকোহল এর দুটি ব্যবহার লেখ।

উওর: পেট্রোল একসঙ্গে মিশিয়ে মোটরে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
মেথিলেটেড স্পিরিট প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হয়।

  1. ভিনিগারে শতকরা কত শতাংশ অ্যাসিটিক অ্যাসিড থাকে?
    অথবা, ভিনেগার কাকে বলে।

উত্তর: অ্যাসিটিক অ্যাসিডের 4% – 8% লঘু জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে।

  1. ইথাইল অ্যালকোহল এর সঙ্গে অ্যাসিটিক এসিডের বিক্রিয়া সমীকরণ সহ লেখ।

উত্তর: গাঢ় সালফিউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতিতে ইথাইল অ্যালকোহল এর সঙ্গে অ্যাসিটিক এসিডের বিক্রিয়ায় ইথাইল অ্যাসিটেট এস্টার উৎপন্ন হয়।

CH 3COOH + C2H5OH → ( গাঢ় H 2SO4) CH3COO C2H5 + H2O

  1. ডিনেচার্ড স্পিরিট কি? এর ব্যবহার লেখ।

উত্তর: মিথাইল অ্যালকোহল মিশ্রিত ইথাইল অ্যালকোহল কে ডিনেচার্ড স্পিরিট বলে।
শিল্পে বিশেষ করে বার্নিশের কাজে উত্তম দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

🔘 Join Our Telegram Chanel – Click Here 🔘

-ঃআরও পড়ুনঃ–

🔵🔴 ভারতের বৃহত্তম, দীর্ঘতম ও উচ্চতম pdf- Click Here

🔵🔴 বিপরীত শব্দ pdf- Click Here

🔵🔴 কম্পিউটার ভিত্তিক প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴 পরিবেশ বিদ্যা প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴 বিভিন্ন ঘূর্ণিঝড়ের নাম ও নামকরণকারী দেশ pdf- Click Here

🔵🔴 সমোচ্চারিত শব্দ বা সমার্থক শব্দ pdf- Click Here

🔵🔴 বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর pdf- Click Here

🔵🔴 বছরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিন pdf- Click Here

🔵🔴 100+ সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নোত্তর pdf- click Here

🔵🔴 ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর pdf- click Here

🔵🔴 WBCS preliminary practice set pdf- Click Here

🔵🔴 বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস প্রশ্নোত্তর pdf- Click Here

🔵🔴  ভূগোলের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর – Click Here 

🔵🔴  দৈনিক ১০টি স্পেশাল MCQ – Click Here