সংক্ষিপ্ত টীকা- মেঘনাদবধ কাব্য, সীতার বনবাস গ্রন্থ | Meghnadvadh Kavya

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি মেঘনাদবধ কাব্য, সীতার বনবাস গ্রন্থ | Meghnadvadh Kavya. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে মেঘনাদবধ কাব্য, সীতার বনবাস গ্রন্থ | Meghnadvadh Kavya

Ajjkal

মেঘনাদবধ কাব্য, সীতার বনবাস গ্রন্থ | Meghnadvadh Kavya

■ পদ্মিনী উপাখ্যান কাব্য:-

উত্তর:: ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ কাব্য (১৮৫৮) কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা। টডের ‘Annals and Antiquities of Rajasthan’ গ্রন্থে আলাউদ্দিন খিলজীর চিতোর আক্রমণের পর জহরব্রতে আগুন জ্বালিয়ে রানী পদ্মিনীর আত্মাহুতি দানের বিবরণ নিয়ে এই কাব্য রচিত। এই কাব্যের বীর রানী বাঙালী সমাজকে উদ্দীপ্ত করেছিল— স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় রে কে বাঁচিতে চায়। দাসত্বশৃঙ্খল বল, কে পরিবে পায় রে কে পরিবে পায়।

এই কবিতা স্বাধীনতার উজ্জীবনলগ্নে যুদ্ধ সঙ্গীতের কাজ করেছিল। ‘কবিচিত্ত-অনিরপেক্ষ প্রকৃতি বর্ণনা এই প্রথম পাওয়া গেল’ (ড. সুকুমার সেন)। এর ছন্দ গতানুগতিক, পয়ারকে দীর্ঘ করে কবি কোথাও কোথাও কিঞ্চিৎ বৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছেন। দ্বিতীয় কাব্য ‘কর্মদেবী’র চারিসর্গময় কাহিনীসূত্রও রাজপুত ইতিহাস থেকে নেওয়া। কর্মদেবী ‘পদ্মিনী’র থেকে বেশী বর্ণনাময়। অলঙ্কারে মধুসূদনের অনুসরণ লক্ষ্য করা যায়। ‘শূরসুন্দরী’ র কাহিনীও রাজপুত ইতিহাস থেকে গৃহীত। কাব্যটি বর্ণনাত্মক। উড়িষ্যার এক রোমান্টিক কাহিনী ‘কাঞ্চীকাবেরী’র বিষয়। রঙ্গলাল উড়িষ্যার ভাষা ও প্রত্নতত্ত্ব খুব ভালো জানতেন। এ কাব্যে তার বেশ কিছু প্রকাশ আছে। এই কাব্যের বিষয় রোমান্টিক, ভাষা সরলতর, ছন্দপ্রবাহ সুললিত, সব মিলিয়ে হৃদয়গ্রাহী। রঙ্গলাল ‘কুমারসম্ভব’, সংস্কৃত উদ্ভট কবিতা, কিছু ইংরাজী কবিতা প্রভৃতি অনুবাদ করেছিলেন।

■ সীতার বনবাস গ্রন্থ:-

উত্তর:: ‘সীতার বনবাস’ (১৮৬০) গ্রন্থখানি রচিত হয়েছে রামচন্দ্র কর্তৃক সীতার বনবাস দানকে কেন্দ্র করে। এর মধ্যে বিদ্যাসাগর রামায়ণের ঘটনাকে অপূর্ব করুণ রসে মণ্ডিত করে। প্রকাশ করেছেন। এছাড়া এই গ্রন্থের মধ্যেই সর্বপ্রথম শোনা গেল বাংলা গদ্যের শিল্পঝংকার। বাংলা গদ্য ভাষা যে উৎকৃষ্ট সাহিত্যগুণ-সম্পন্ন হতে পারে, এই গদ্য গ্রন্থের মধ্যেই তা সর্বপ্রথম প্রদর্শিত হয়েছে।

‘সীতার বনবাস’ এর ভাষা — লক্ষ্মণ বলিলেন, আর্যে! এই সেই জনস্থানমধ্যবর্তী প্রস্রবণ গিরি। এই গিরির শিখরদেশ আকাশপথে সতত সঞ্চরমান জলধরমন্ডলীর যোগে নিরন্তর নিবিড় নীলিমায় অলংকৃত। অধিত্যকা-প্রদেশ ঘনসন্নিবিষ্ট বিবিধ বনপাদপসমূহে আচ্ছন্ন থাকাতে সতত স্নিগ্ধ শীতল ও রমনীয়। পাদদেশে প্রসন্ন সলিলা গোদাবরী তরঙ্গ বিস্তার বরিয়া প্রখর বেগে গমন করিতেছে।”

■ মেঘনাদবধ কাব্য:-

উত্তর:: মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১)। অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত এই কাব্য বাংলা ভাষায় রচিত একমাত্র সাহিত্যিক মহাকাব্য। এই কাব্য নয়টি সর্গে বিভক্ত। রাবণপুত্র বীরবাহুর নিধন সংবাদ থেকে শুরু করে মেঘনাদ হত্যা ও তার পত্নী প্রমীলার চিতারোহণ পর্যন্ত ঘটনাবলী এর মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। মধুসূদন বাল্মীকি রামায়ণ থেকে মূল উপাদান গ্রহণ করলেও বহু ঘটনা ও চরিত্র আপন কবিকল্পনায় রূপায়িত করেছেন। রাবণ ও মেঘনাদ তাঁর অসামান্য সৃষ্টি। এই মহাকাব্যের আদর্শ পাশ্চাত্য মহাকাব্য হোমারের ইলিয়াডের অনুরূপ। এর মধ্যে রাবণ ও মেঘনাদকে আদর্শ মানবের প্রতিনিধি করে দেখিয়েছেন।

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।