সংক্ষিপ্ত টীকা- পথের পাঁচালী উপন্যাস (Pather Panchali Novel), পথের দাবী উপন্যাস

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি পথের পাঁচালী উপন্যাস (Pather Panchali Novel), পথের দাবী উপন্যাস. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে পথের পাঁচালী উপন্যাস (Pather Panchali Novel), পথের দাবী উপন্যাস

Ajjkal

পথের পাঁচালী উপন্যাস (Pather Panchali Novel), পথের দাবী উপন্যাস

■ পথের পাঁচালী উপন্যাস:-

উত্তর:: ‘পথের পাঁচালী’ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রাম বাংলার পটভূমিকায় লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি ১৯৩৫ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে বাংলার গ্রামজীবনের পটভূমিতে অপু নামক এক বালকের জীবন-পথ পরিক্রমার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। অপু, ইন্দিরা ঠাকুরুন, সর্বজয়া, দুর্গা প্রমুখ এই উপন্যাসের বিশিষ্ট চরিত্র। ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসে কিশোর অপুর মানস-উত্তরণের চিত্র আঁকা হয়েছে নিখুঁতভাবে। “অপুদের বাড়ী হইতে কিছুদূরে একটা খুব বড়ো অশ্বত্থ গাছ ছিল।

কেবল তাহার মাথাটা উহাদের দালানের জানালা কি রোয়াক হইতে দেখা যায়। অপু মাঝে মাঝে সেইদিকে চাহিয়া দেখিত। যতবার সে চাহিয়া দেখে, ততবার তাহার যেন অনেক অনেক দূরের কোন দেশের কথা মনে হয় – – কোন দেশ এ তাহার ঠিক ধারনা হইত না — কোথায় যেন কোথাকার দেশ — মার মুখে ঐ সব দেশের রাজপুত্তুর, দেশের কথাই সে শোনে। অনেক দূরের কথায় তাহার শিশুমনে একটা বিস্ময়মাখানো আনন্দের, ভাবের সৃষ্টি করিত। নীল রঙের আকাশটা অনেকদূরে, ঘুড়িয়া কুঠির মাঠটা – অনেকদূরে – অনেকদূরে – সে বুঝাইতে পারিত না, বলিতে পারিত না কাহাকেও, কিন্তু এসব কথায় তাহার মন যেন কোথায় উড়িয়া চলিয়া যাইত”।

■ পথের দাবী উপন্যাস:-

উত্তর:: ‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্রের লেখা একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উপন্যাস। এটি ১৯২৬ খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে পরাধীন ভারতের স্বাধীনতার জন্য সব্যসাচী নামক একজন বিপ্লবী যুবকের তীব্র সংগ্রাম বর্ণিত হয়েছে। সব্যসাচী, সুমিত্রা, অপূর্ব, ভারতী প্রমুখ এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি সমকালীন রাজনৈতিক জীবনের বিপ্লববাদ অবলম্বনে রচিত। ভারতে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন চলাকালে বাংলার বিপ্লববাদী নেতৃবৃন্দ রেঙ্গুনে আশ্রয় নিয়ে যে পদ্ধতিতে স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালিত করেছিলেন, তার পরিচয় আছে আলোচ্য উপন্যাসে।

তবে রোমান্টিক আবেগ উচ্ছ্বাস প্রাধান্য লাভ করায় কাহিনীবৃত্তে রাজনৈতিক উপন্যাসের লক্ষণ ক্ষুণ্ন হয়েছে। ‘পথের দাবী’ উপন্যাসটি ভারতের বিপ্লববাদী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। সব্যসাচী নামক একজন বিপ্লবী যুবক ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য কিরূপে আন্দোলন সংগঠন করেছিলেন বিদেশে ঘুরে ঘুরে, তার বিবরণ এর মধ্যে বর্ণিত।

এই উপন্যাসে সব্যসাচী চরিত্রটির অসাধারণত্ব প্রকাশ করা হয়েছে অপূর্বের মুখে – “তুমি তো আমাদের মতো সোজা মানুষ নও – তুমি দেশের জন্য সমস্ত দিয়াছ, তাই তো দেশের খেয়াতরী তোমাকে বহিতে পারে না, সাঁতার দিয়া তোমাকে পদ্মা পার হইতে হয়, তাইতো দেশের রাজপথ তোমার কাছে রুদ্ধ, দুর্গম পাহাড় পর্বত তোমাকে ডিঙাইয়া চলিতে হয়; কোন বিস্মৃত অতীতে তোমারই জন্য তো প্রথম শৃঙ্খল রচিত হইয়াছিল, কারাগার তো শুধু তোমাকে মনে করিয়াই প্রথম নিৰ্ম্মিত হইয়াছিল, সেই তো তোমার গৌরব। তোমাকে অবহেলা করিবে সাধ্য কার ! এই যে অগণিত প্রহরী, এই যে বিপুল সৈন্যভার, সে তো কেবল তোমারই জন্যে। দুঃখের দুঃসহ গুরুভার বহিতে তুমি পারো বলিয়াই তো ভগবান এত বড় বোঝা তোমারই স্কন্ধে অর্পণ করিয়াছেন। তোমাকে শত কোটি নমস্কার।”

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।