সংক্ষিপ্ত টীকা- শেষের কবিতা উপন্যাস, রত্নদ্বীপ উপন্যাস | Sesera Kabita Novel and Ratnadwip Novel

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি Sesera Kabita Novel and Ratnadwip Novel. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে শেষের কবিতা উপন্যাস, রত্নদ্বীপ উপন্যাস | Sesera Kabita Novel and Ratnadwip Novel

Ajjkal

শেষের কবিতা উপন্যাস, রত্নদ্বীপ উপন্যাস | Sesera Kabita Novel and Ratnadwip Novel

■ শেষের কবিতা উপন্যাস:-

উত্তর:: ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের লেখা বিখ্যাত কাব্যধর্মী উপন্যাস। ১৯২৯ খ্রীষ্টাব্দে এই উপন্যাস প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটি যেন একটি অসাধারণ গদ্যকাব্য। অমিত ও লাবণ্যের প্রেমকাহিনী এর বিষয়বস্তু। দৈনন্দিন বিবাহিত জীবনের গতানুগতিক কর্তব্যভার বিড়ম্বিত জীবন ও অপার্থিব রোমান্টিক প্রেমের মধ্যে সমন্বয় ঘটানো যায় না, এই উপন্যাসে সেই তত্ত্বই প্রকাশিত। অমিত, লাবণ্য, শোভনলাল, কেষ্ট মিত্র প্রমুখ এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। “রবীন্দ্রনাথের শেষ জীবনে রচিত কাব্যধর্মী ও রোমান্স আশ্রিত উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ (১৯২৯খ্রীস্টাব্দে) একটি বিচিত্র বিস্ময়। তখন রবীন্দ্রনাথ সুবৃদ্ধ, কল্পনাবৃত্তির কিঞ্চিৎ খর্বতা হওয়াই স্বাভাবিক।

কিন্তু যৌবনমূর্তি বৃদ্ধ রবীন্দ্রনাথ ‘শেষের কবিতায়’ যেন নতুন রামগিরি নতুন অলকাপুরীর অপার্থিব সৌন্দর্য সৃষ্টি করলেন। প্রচুর কাব্যধর্ম, উৎকৃষ্ট গীতি কবিতার স্তবক এবং রোমান্সের উচ্ছ্বাস এই গ্রন্থকে ক্ষণে ক্ষণে গদ্যকাব্যে রূপান্তরিত করেছে। অমিত লাবণ্যের প্রেমের আখ্যান এ কাহিনীর প্রধান উপাদান হলেও এর মধ্যে কবি একটি গভীর তাৎপর্য সংযোজিত করেছেন। দৈনন্দিন বিবাহিত জীবনের কর্তব্যপীড়িত গতানুগতিকতা এবং অপার্থিব রোমান্টিক প্রেমের স্বপ্নাভিসার এদুয়ের মধ্যে মিলন ঘটানো দুঃসাধ্য।… অপূর্ব কাব্যধর্মী বর্ণনা, তির্যক বাগবিন্যাসের নিপুণতা, প্রেম ও সৌন্দর্যের স্বর্গলোক রচনা এবং তা থেকে স্বেচ্ছা নির্বাসনের সকরুণ বেদনা বৃদ্ধ রবীন্দ্রনাথের যৌবনমূর্তিকে এমন একটি অভাবনীয় ঐশ্বর্য দিয়েছে যে সেকালের তরুণ সম্প্রদায় যাঁরা ‘রবীন্দ্রযুগ চলে গেছে’ বলতে আরম্ভ করেছিলেন, তাঁরা পর্যন্ত হতচকিত হয়ে গেলেন।” ‘শেষের কবিতা’ – উপন্যাসটি গদ্যে লেখা একটি অপূর্ব প্রেমকাব্য।

অমিত ও লাবণ্যের মধ্যে দিয়ে প্রেমের এক অভিনব রম্যরূপ বর্ণিত। অমিতের বর্ণনায় বলা হয়েছে – “অমিতের নিজের মধ্যে বুদ্ধি আছে ক্ষমা নেই, বিচার আছে ধৈর্য নেই, ও অনেক জেনেছে শিখেছে কিন্তু শান্তি পায়নি-লাবণ্যের মুখে ও এমন একটি শান্তির রূপ দেখেছিল যে শান্তি হৃদয়ের তৃপ্তি থেকে নয়, যা ওর বিবেচনা শক্তির গভীরতায় অচঞ্চল। ”লাবণ্যের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে“ দুর্লভ সংসারে অমিত তাকে দেখলে। ড্রইংরুমে এ মেয়ে অন্য পাঁচ জনের মাঝখানে পরিপূর্ণ আত্মস্বরূপে দেখা দিত না। পৃথিবীতে হয়তো দেখবার মতো লোক পাওয়া যায়, তাকে দেখাবার যোগ্য জায়গাটি পাওয়া যায় না। ”উৎসজলের“ উচ্ছলতা ফুটে ওঠে , মেয়েটির কন্ঠস্বর তারি মতো নিটোল। অল্প বয়সের বালকের মতো মসৃণ এবং প্রশস্ত।”

■ রত্নদ্বীপ উপন্যাস:-

উত্তর:: ‘রত্নদ্বীপ’ প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ১৯১৫ খ্রীষ্টাব্দে এটি প্রকাশিত হয়। নারীর সঙ্গে প্রতারণা করতে গিয়ে বিবেকের তাড়নায় কিরূপে আত্মশুদ্ধি ঘটে, আলোচ্য উপন্যাসে তা দেখানো হয়েছে। রাখাল, বৌরাণী, খগেন প্রমুখ এই উপন্যাসের বিশিষ্ট চরিত্র। উপন্যাসের মধ্যে রাখাল চরিত্রটি বিচিত্রও বর্ণময়। অস্থির ও অশান্ত জীবনের মধ্যে দিয়ে যে কীরূপে একটি শান্ত স্থির প্রত্যয়ী জীবন লাভ করেছিল, তার সুন্দর মনস্তাত্বিক বিবরণ এই উপন্যাসে দেওয়া হয়েছে। রত্নদ্বীপ উপন্যাসের ঘটনাবিন্যাসে মুন্সীয়ানা আছে।

প্রথমদিকে কাহিনী শুরু হয়েছিল একটি হালকা লঘুচালে। সেই কাহিনীকেই ধীরে ধীরে বিন্যাসের গুণে গভীরতাশ্রয়ী করে তোলা হয়েছে। মানব মনের অন্তঃস্থলে যে কতপ্রকার ভাব লুকিয়ে থাকে, তা সে নিজেও জানতে পারে না। মানুষ নিজেকে না জানতে পেরে শয়তান হয়, আবার নিজেকে জানার পরে দেবতা হয়, এই ভাবটি রত্নদ্বীপ উপন্যাসে ফুটে উঠেছে। রত্নদ্বীপ উপন্যাসে পুরুষ ও নারী চরিত্রগুলি আপন আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল।

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।