সংক্ষিপ্ত টীকা-শ্রীরামপুর মিশন, ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায় | Srirampur Mission and Indian Worshipers

Hello Students,


Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা,  www.ajjkal.com আজ নিয়ে এসেছি Srirampur Mission and Indian Worshipers Notes. প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন  CTET | WBTET | WBCS । MPTET | ATET| UPTET | Rajasthan PTET | TNTET | Karnataka TET | RTET | HTET| PSTET। BANK EXAM। ইত্যাদি পরীক্ষার বিভিন্ন প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই Ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে শ্রীরামপুর মিশন, ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায় | Srirampur Mission and Indian Worshipers

Ajjkal

শ্রীরামপুর মিশন, ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায় | Srirampur Mission and Indian Worshipers

❏ শ্রীরামপুর মিশন:-

উত্তর:: অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে কয়েকজন ইংরাজ মিশনারী বাংলায় খ্রীষ্টধর্ম প্রচারের পরিকল্পনা করেন। তাদের নির্দেশে উইলিয়াম কেরী ও টমাস নামক দুজন ধর্মযাজক কলকাতায় এসে খ্রীষ্টধর্ম প্রচার করতে শুরু করেন। ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর কর্মচারীরা তাদের খ্রীষ্টধর্ম প্রচারে উৎসাহ দেননি। তারা তখন ডাচ্‌শাসিত শ্রীরামপুরে এসে ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দে একটি মিশন প্রতিষ্ঠা করেন। এটি শ্রীরামপুর মিশন নামে বিখ্যাত। শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রথম দিকে বাইবেলের বঙ্গানুবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীকালে সংস্কৃত ব্যাকরণ অভিধান যথা— বোপদেবের মুগ্ধবোধ, কেরী সাহেবের Sanskrit Grammar, কোলব্রুক সম্পাদিত অমরকোষ, কৃত্তিবাসী রামায়ণ ও কাশীদাসী মহাভারত প্রকাশিত হয়।

❏ ভারতীয় উপাসক সম্প্রদায়:-

উত্তর:: ভারতবর্ষীয় উপাসক সম্প্রদায় মনীষী অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত গ্রন্থ। প্রথম খণ্ড প্রকাশিত হয় ১৮৫২ খ্রিষ্টাব্দে, দ্বিতীয় খণ্ড ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে। এই গ্রন্থটি Wilson সাহেবের ‘The Religious sects of Hindoos’ নামক গ্রন্থ অবলম্বনে রচিত হলেও এর মধ্যে লেখকের অনেক মৌলিক গবেষণালব্ধ তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে লেখক ভারতের প্রাচীন ও আধুনিক ধর্মসম্প্রদায়ের আচার আচরণ রীতিনীতি ও ধর্ম পালনের বিশদ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। লেখক যেমন ধর্ম সাধনার পরিচয় দিয়েছেন, সেই সঙ্গে দর্শন তত্ত্বেরও ব্যাখ্যা করেছেন। তবে ধর্ম সম্প্রদায়ের আলোচনায় তিনি সর্বদা নিরপেক্ষ দৃষ্টি রাখতে পারেন নি। প্রাচীন বৈদিক ধর্মসাধনা সম্পর্কে যেমন তাঁর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি যে সব ধর্ম সম্প্রদায়ের আচার আচরণ তাঁর চোখে ঘৃণ্য বলে মনে হয়েছে, তার প্রতি তিনি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। এদেশের আদিম ধর্ম সাধনার গূঢ় অর্থ তিনি ধরতে পারেননি।

❏ কথোপকথন:-

উত্তর:: ‘কথোপকথন’ (১৮০১) উইলিয়াম কেরী রচিত শিক্ষামূলক পুস্তক। কথ্য বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল। ‘কথোপকথন’ কথ্য গদ্যভাষার একটি নিদর্শন। এই গ্রন্থে বাংলা শেখাবার জন্য সংলাপের ঢংয়ে গদ্যভাষার প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। কেরী এর মধ্যে সাহেবদের বাংলা শেখাবার জন্য নাটকীয় সংলাপের ঢঙে বিভিন্ন প্রসঙ্গের বিবরণ দিয়েছেন। বাঙালী মেয়েদের কথাবার্তাও তিনি সুন্দরভাবে প্রকাশ করেছেন। যেমন—
১ ম — ওলো, তোর ভাতার কারে কেমন ভালোবাসে শুনি।

২ য় – আহা, তাহার কথা কহ কেন ? এখন আর আমাদের কি আদর আছে ? নূতনের দিকে মন ব্যতিরেকে পুরাণের দিকে কে চাহে ?

Note: পোস্ট টি অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ এ শেয়ার করুন।