চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam

চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam
চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam

সুপ্রিয় বন্ধুরা,

Wellcome to www.ajjkal.com চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির সেরা ঠিকানা, আজ নিয়ে এসেছি চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam . প্রতিবছর বিভিন্ন পরীক্ষার যেমন WBP | WBTET | WBCS | SSC | TET | WBPSC | Food SI | BANK EXAM | All Jobs Exam | রাজ্য বা দেশের বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা | স্কুল ও কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষার প্রস্তুতি পত্র আপনাদের বিনামূল্যে দিয়ে এসেছি। তাই www.ajjkal.com আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam।




চাঁদের মাটিতে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ | Moon Surface Weigh Less Than on Earth Surface | Physical Science GK Competitive Exam

❏ চাঁদের মাটিতে পৃথিবীর পৃষ্ঠের চেয়ে বস্তুর ওজন কম হওয়ার কারণ:-

■ বস্তুর ভর পরিবর্তন হয় না, কিন্তু বিভিন্ন অবস্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বিভিন্ন হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ভর বিশিষ্ট বস্তুর ওজন বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন হয়ে থাকে। যেমন, পাহাড়ের চূড়ায় ও খনির মধ্যে অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) -এর মান কমে যায়; ফলে কোনো বস্তুর ওজন ভূপৃষ্ঠে বস্তুটির ওজনের চেয়ে কম হয়। পৃথিবীর কেন্দ্রে g = 0, ফলে বস্তুর ওজন শূন্য হয় পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনরত কৃত্রিম উপগ্রহের মধ্যে এবং অবাধে পতনের ক্ষেত্রে বস্তুর ওজন শূন্য হয়। চন্দ্রপৃষ্ঠে বস্তুর ওজন পৃথিবী পৃষ্ঠে বস্তুর ওজনের 1/6 হয়।


চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহত্তম উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব প্রায় ৩৮৪,৩৯৯ কিলোমিটার (প্রায় ২৩৮,৮৫৫ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ। চাঁদের ব্যাস প্রায় ৩,৪৭৪.২০৬ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের এক-চতুর্থাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। অর্থাৎ, চাঁদের আয়তন পৃথিবীর আয়তনের ৫০ ভাগের ১ ভাগ। এর পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বল পৃথিবী পৃষ্ঠে অভিকর্ষ বলের এক-ষষ্ঠাংশ।


পৃথিবী পৃষ্ঠে কারও ওজন যদি ১২০ পাউন্ড হয় তা হলে চাঁদের পৃষ্ঠে তার ওজন হবে মাত্র ২০ পাউন্ড। এটি প্রতি ২৭.৩২১ দিনে পৃথিবীর চারদিকে একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করে। প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর চন্দ্র কলা ফিরে আসে অর্থাৎ একই কার্যক্রম আবার ঘটে। পৃথিবী-চাঁদ-সূর্য তন্ত্রের জ্যামিতিতে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের কারণেই চন্দ্র কলার এই পর্যানুক্রমিক আবর্তন ঘটে থাকে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা:-

❏ পদার্থের সংজ্ঞা (Definition of Substance):- যার ভর আছে, যা কিছুটা স্থান বা আয়তন অধিকার করে থাকে, যার অস্তিত্ব আমরা ইন্দ্রিয় দিয়ে অনুভব করতে পারি এবং বল প্রয়োগের সাহায্যে যা স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন করার চেষ্টা করলে যা বাধা দেয়, অর্থাৎ যার জাড্য ধর্ম আছে — তাকেই পদার্থ বলা হয়।


পদার্থ মাত্রই ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য। কিন্তু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হলেই যে তা পদার্থ হবেই এমন নয়। যেমন — ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য হলেও, তাপ হল এক প্রকার শক্তি। 

❏ বস্তুর সংজ্ঞা (Definition of Object):- পদার্থের নির্দিষ্ট পরিমাণকে বস্তু বলা হয়। অর্থাৎ, পদার্থ হল বস্তুর উপাদান। চেয়ার, টেবিল হল- বস্তু এবং তাদের উপাদান কাঠ হল- পদার্থ।

❏ ভরের সংজ্ঞা (Definition of Mass):- কোনো বস্তুর মধ্যে যতটা পরিমাণ জড় পদার্থ থাকে, তাকেই বস্তুটির ভর বলা হয়। বস্তুর ভরের মান আছে কিন্তু অভিমুখ নেই। তাই ভর একটি স্কেলার রাশি।


❏ মহাকর্ষকের সংজ্ঞা (Gravity Definition):- বিশ্বে জড় বস্তু যে-কোনো অবস্থায় থাকুক না কেন তারা সর্বদা পরস্পরকে আকর্ষণ করে। জড় পদার্থের এই পারস্পরিক আকর্ষণকেই বলা হয়ে থাকে মহাকর্ষ।

❏ অভিকর্ষ সংজ্ঞা (Gravity definition):- পৃথিবীর পৃষ্ঠে বা পৃষ্ঠের কাছাকাছি অবস্থিত কোনো বস্তুকে পৃথিবী নিজের কেন্দ্রের দিকে যে বল দ্বারা আকর্ষণ করে তাকে অভিকর্ষ বলা হয়। এই অভিকর্ষীয় বলের জন্যই পৃথিবীর ওপর সব বস্তুর ওজন পরিলক্ষিত হয়। অভিকর্ষকে মহাকর্ষের একটি বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে।


❏ অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational Acceleration):- পৃথিবীর অভিকর্ষীয় বলের ক্রিয়ায় যখন কোনো বস্তু বিনা বাধায় ওপর থেকে পৃথিবীর দিকে পড়ে, তখন বস্তুটির পতনের বেগ একটি নির্দিষ্ট হারে বেড়ে যায় অর্থাৎ পৃথিবীর কেন্দ্রের অভিমুখে একটি ত্বরণের সৃষ্টি হয়। এই ত্বরণকেই অভিকর্ষজ ত্বরণ বলা হয়।

❏ ভার বা ওজন সংজ্ঞা (Definition of Weight):- যে বল দ্বারা পৃথিবী কোনো বস্তুকে নিজের কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে, সেই বল হল ওই বস্তুর ভার বা ওজন। ওজন হল একটি বল। এর মান ও অভিমুখ দুইই আছে। সুতরাং ওজন একটি ভেক্টর রাশির উদাহরণ।

আরও পড়ুন:- 1000 জেনারেল নলেজ প্রশ্ন উত্তর PDF

Previous Post Next Post